ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের বিভিন্ন হাটবাজারের দোকানিরা বোতলজাত সয়াবিন তেল মজুত করে এখন বেশি দাম পাওয়ার আশায় খোলা বিক্রি করছেন। এমন খবর পেয়ে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুজন কাজী শহরের পালং বাজারে অভিযান চালান। সেখানে ক্রেতারা অভিযোগ করেন, আগের দামে ক্রয় করা বোতলের সয়াবিন তেল খুলে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

অভিযানের সময় পালং বাজারের মান্নান স্টোরে ৩৭, ইসমাইল স্টোরে ৪৩, বণিক বাণিজ্যালয়ে ৩৮ ও জাকির স্টোরে ১২৫টি সয়াবিন তেলের খালি বোতল পাওয়া যায়। তখন এসব দোকান সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

অন্যদিকে জাকির স্টোরের গুদামে অভিযান চালিয়ে ৯১৮ লিটার ও ভাই ভাই ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৩৪০ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়। পরে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বোতলের গায়ে থাকা দামে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করে দেন।

পালং বাজারের ব্যবসায়ী ও বণিক বাণিজ্যালয়ের মালিক গণেশ বণিক প্রথম আলোকে বলেন, বোতল থেকে খুলে তেল বিক্রি করেননি। খালি বোতলগুলো কিনে রেখেছিলেন খোলা তেল বিক্রি করতে ব্যবহারের জন্য। সয়াবিন তেলের সেই খালি বোতল পেয়ে ভুল বুঝে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুজন কাজী প্রথম আলোকে বলেন, বোতলজাত সয়াবিন তেল মজুত করে তা বেশি দামে বিক্রি করছিলেন ব্যবসায়ীরা। কয়েকটি দোকানে বোতল থেকে বের করে তেল বিক্রি করা হচ্ছিল। বোতলের গায়ে এক রকম দাম লেখা আর বিক্রি করা হচ্ছিল বেশি দামে। এ কারণে চারটি দোকান সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সুজন কাজী আরও বলেন, এসব দোকানমালিকের বিরুদ্ধে পরে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর দুটি গুদামে মজুত রাখা ২ হাজার ২৫৮ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ওই তেলগুলো বোতলের গায়ে থাকা দামে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন