বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও লতিফুলের পরিবার সূত্রে জানা যায়, লতিফুল ইসলাম অন্যের ইজিবাইক ভাড়া নিয়ে চালাতেন। গতকাল সকালে তিনি ইজিবাইক নিয়ে বের হয়ে যান। সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় তাঁর মা লতিফা বেগম ছেলেকে কল করেন। এ সময় লতিফুল বলেন, তিনি ময়দানদীঘি এলাকার আশপাশে আছেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়িতে ফিরবেন। পরে রাত নয়টার দিকে আবার তাঁর মা তাঁকে কল করলে তিনি ধরেননি। পরে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

আজ সকালে বাদামখেতে এক তরুণের লাশ পাওয়া গেছে বলে লতিফুলের স্বজনেরা খবর পান। পরে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে লতিফুলের লাশ শনাক্ত করেন। এরই মধ্যে খবর পেয়ে বোদা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করে।

লতিফা বেগম বলেন, ‘রাত পৌনে নয়টার দিকে লতিফুল মোবাইলে বলেছিল, আধা ঘণ্টার মধ্যে আসবে। এরপর অনেকবার ফোন দিলেও সে আর রিসিভ করেনি। আমার একটাই ছেলে। মাত্র আট দিন আগে তাকে বিয়ে দিয়েছি। কীভাবে কী হয়ে গেল। এখন আমি কী নিয়ে বাঁচব!’

বোদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসান মোহাম্মদ রুবেল বলেন, ওই তরুণের লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহালে লাশের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ওই তরুণের সঙ্গে থাকা ইজিবাইকটি ছিনতাইয়ের জন্য তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ইজিবাইকটির সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন