বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত তৌহিদ মিয়ার বোনের বাড়ি জামালগঞ্জ উপজেলার পূর্ব লক্ষ্মীপুর গ্রামে। গত বৃহস্পতিবার তিনি বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে তৌহিদ ঘর থেকে বের হন। এ সময় ঘরের সামনের রাস্তায় প্রতিবেশী রিহান মিয়াকে পেয়ে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে শিশুটি ঘটনাস্থলে মারা যায়। আশপাশের লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌড়ে গিয়ে তৌহিদ মিয়াকে আটক করেন। তৌহিদের বোনের স্বামীর নাম হাবিব মিয়া। নিহত রিহান মিয়া সম্পর্কে হাবিব মিয়ার ভাগনে, তাঁদের ঘর পাশাপাশি।

পূর্ব লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা ও জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ইমামুল হক জানান, তৌহিদ মিয়াকে আটকের পর তিনি তাঁদের কাছে উল্টাপাল্টা কথা বলছেন। তৌহিদ বলছেন, তিনি নাকি দুই দিন ধরে স্বপ্ন দেখছেন কে বা কারা তাঁকে দা নিয়ে তাড়া করে মারার চেষ্টা করছে। এ কারণে তিনি স্থানীয় বাজার থেকে একটি দা কেনেন এবং আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সেটি সব সময় নিজের কাছে রাখছেন। আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে দা নিয়ে ঘর থেকে বের হন তিনি। এ সময় রিহানকে সামনে পেয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপান। খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে ওই গ্রামে গেলে স্থানীয় লোকজন তৌহিদকে তাদের হাতে তুলে দেন।

জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ আবদুন নাসের জানান, তৌহিদ মিয়া একেক সময় একেক কথা বলছেন, তাঁকে আটক করা হয়েছে। শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন