কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর, মুন্সিবাজার ও পতনঊষার ইউনিয়নের বিভিন্ন বোরোখেত ঘুরে দেখা যায়, বোরো ধানে মাজরা ও এক ধরনের পোকা ধানের মাইন কেটে দিচ্ছে, অনেক জায়গায় পোকা পাতা ছিদ্র করছে। এ ছাড়া ধানের পাতা শুকিয়ে বাদামি রং ধারণ করছে। উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় কৃষি কার্যালয়ের পরামর্শ মতো কীটনাশক ছিটিয়েও ফল পাচ্ছেন না কৃষকেরা।

স্থানীয় কয়েকজন চাষি জানান, দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে গাছে ধানের ছড়া (শিষ) বের হওয়ার সম্ভাবনা। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পোকার আক্রমণ। পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় জমিতে কীটনাশক ছিটিয়েও তেমন কাজ হচ্ছে না। চাষ ও সেচে এমনিতেই অনেক খরচ হয়েছে। এখন পোকা আক্রমণ করেছে। তাঁদের আশঙ্কা, সময়মতো পোকা দমন করতে না পারলে বোরো উৎপাদন ব্যাহত হবে।

মুন্সিবাজার ইউনিয়নের আবদুল কাইয়ুমসহ কয়েকজন কৃষক তাঁর জমিতে পোকার আক্রমণের কথা জানান। তাঁরা আরও জানান, সেচের সমস্যায় বিশেষভাবে অনেক টাকা খরচ করে এবার বোরো ধান চাষ করেছেন। ১০ দিনের মধ্যেই ধানের শিষ বের হবে—এমন সময় পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এই পোকা ধানগাছের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এমন অবস্থায় তিনি কৃষি কার্যালয়ের সহযোগিতা কামনা করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জনি খান বলেন, মূলত এই সময়ে মাজরা পোকার আবির্ভাব ঘটে। ধানের শিষ বের হওয়ায় পোকা গাছ কাটলে সেই গাছ আবার নতুন করে গজাবে। বোরো ধানে পোকার আক্রমণ থেকে ধানগাছ রক্ষায় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পোকা দমনে প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষি বিভাগের লোকজন কাজ করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন