default-image

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় পাঁচ বছরের শিশুকে অপহরণ করে পালানোর সময় জনতার হাতে ধরা পড়েছেন চারজন। আজ বুধবার গাবতলী উপজেলার ধোঁড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা গণপিটুনি দিয়ে ওই চার ব্যক্তিকে পুলিশ সোপর্দ করেছে। ভাঙচুর করা হয়েছে অপহরণের কাজে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত গাড়ি। অপহৃত শিশুটিকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার চারজন হলেন ঠাকুরগাঁও জেলার আরিফুল ইসলাম (২৫), সিরাজগঞ্জ জেলার আল–আমিন (২৪), বগুড়ার গাবতলী উপজেলার হাঁপুনিয়া গ্রামের রেজাউল মোল্লা (২৪) ও তাঁর চাচা মিল্লাত মোল্লা (৩০)। তাঁদের বিরুদ্ধে উদ্ধার হওয়া শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ব্যক্তিগত গাড়ির চালক পলাতক।

বিজ্ঞাপন

গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, আরিফুল, আল–আমিন ও রেজাউল  ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। রেজাউলের বাড়িতে দুদিন আগে বেড়াতে আসেন আরিফুল ও আল–আমিন। রেজাউলের চাচা মিল্লাত মোল্লার সঙ্গে সেখানেই পরিচয় হয় আরিফুল ও আল–আমিনের।
মিল্লাত মোল্লা তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িতে রেজাউল, আরিফুল ও আল–আমিনকে নিয়ে বুধবার সকালে তাঁর শ্বশুরবাড়ি একই উপজেলার ধোঁড়া গ্রামে বেড়াতে যান। ফেরার সময় শিশু অপহরণের পরিকল্পনা মাথায় আসে মিল্লাত মোল্লার। এ সময় রাস্তার পাশে সুজন মিয়ার পাঁচ বছরের শিশু শান্ত খেলা করছিল। শিশুটিকে জোরপূর্বক গাড়িতে তোলার সময় স্থানীয় একজন তা দেখে ফেলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে ব্যক্তিগত গাড়ির পিছু ধাওয়া করেন তিনি। একপর্যায়ে মাঝপথে ব্যক্তিগত গাড়ি বিকল হলে উত্তেজিত জনতা অপহরণকারীদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। এ সময় চালক পালিয়ে গেলেও জনতা ব্যক্তিগত গাড়িটি ভাঙচুর করে। পরে অপহরণকারী দলের চার সদস্যকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
ওসি নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া চারজন ছাড়াও পলাতক চালককে আসামি করে মামলা করেছেন।

মন্তব্য পড়ুন 0