নিহত তরুণীর বড় ভাই প্রথম আলোকে বলেন, প্রায় ছয় মাস ধরে তাসরিফের সঙ্গে তাঁর বোনের প্রেম ছিল। ওই তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের কিছু ছবি তাসরিফ নিজের কাছে রেখেছিলেন। তরুণীর অন্যত্র বিয়ের আলোচনা চলছিল। সম্প্রতি তাসরিফ ছবিগুলো তরুণীর বান্ধবীদের কাছে পাঠান। সেই ছবি গতকাল তরুণীর পরিবারের সদস্যদের হাতে আসে। এরপর গতকাল বিকেলেই বাড়িতে তাঁর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য অভিযুক্ত তাসরিফ থান্দারের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আবু হেনা প্রথম আলোকে বলেন, লাশ রাতেই উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। আজ সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাসরিফের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ওই তরুণীর পরিবার। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন