বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রায় ১৪ বছর বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি চালু হয়েছে কাজীরহাট ও মানিকগঞ্জের আরিচার মধ্যে ফেরি চলাচল। তবে ফেরির সংখ্যা কম থাকায় পারাপারের জন্য ঘাটে যানবাহন দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকে। এতে প্রায়ই ঘাটমুখী সড়কে চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। এ সময় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকেরা। পণ্যবাহী ট্রাকের কয়েক চালক বলেন, টার্মিনালে পার্কের ব্যবস্থা থাকলে সড়কে দাঁড়াতে হতো না। ফেরিতে ওঠার সিরিয়াল দিয়ে পরিবহনশ্রমিকেরাও টার্মিনালে বিশ্রাম নিতে পারতেন।

টার্মিনালটি কাজীরহাট ফেরিঘাটের পাশেই বাজারের ভেতর। ১৫ থেকে ২০টি দোকান ছাড়াও বাকি অংশে রাখা হয়েছে ইট, বালুসহ কয়েকটি ভেকু মেশিন। জায়গা দখল করে দোকানপাট তৈরি করা বেশির ভাগই কাজীরহাট বাজারের ব্যবসায়ী। সম্প্রতি টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে কথা হয় রেজাউল ইসলাম নামের এক দোকানমালিকের সঙ্গে। এ সময় আরও চার থেকে পাঁচজন দোকানমালিকের সঙ্গে কথা বলেন এই প্রতিবেদক। বাকিরা নাম প্রকাশ করতে চাননি। রেজাউলসহ অন্যদের ভাষ্য, জায়গাটি যে সওজের, তা তাঁরা সবাই জানেন। সওজ দখল ছেড়ে দিতে বললে তাঁরা অন্য জায়গায় চলে যাবেন।

কাজীরহাট ট্রাকচালক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রইজউদ্দিন বলেন, প্রায়ই ট্রাকশ্রমিকদের সড়কের ওপর দীর্ঘ সময় ট্রাক রেখে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অথচ কর্তৃপক্ষ টার্মিনালটি ব্যবহার উপযোগী করলে সমস্যাটি সহজেই মিটে যায়।

সওজের পাবনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম শামসুজ্জোহা বলেন, টার্মিনালটি দখলমুক্ত করে ব্যবহারের পরিকল্পনা দীর্ঘদিন আগেই নেওয়া হয়েছে। দখলমুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন। করোনা পরিস্থিতির কারণে সবকিছুই মন্থর হয়ে পড়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন