আছর উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদে খুব কম মাছ পাওয়া যায়। গত বছর আমরা সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ কেজি ওজনের মাছ পেতাম। বর্তমান পানি কম থাকায় কারেন্ট জাল ব্যবহারের কারণে মাছ কমে যাচ্ছে। কুড়িগ্রামে ১৬টি নদ-নদী। প্রচুর মিঠা পানির মাছ পাওয়া যেত। রুই, কাতলা, বোয়াল, আইড়, পাঙাশ, বোইরালি, গুজি, বাঁশপাতারিসহ অসংখ্য মাছ এখন খুব কম পাওয়া যায়। এসব মিঠা পানির মাছ রক্ষায় কোনো উদ্যোগ নেই সরকার বা মৎস্য বিভাগের।’

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘লোকমুখে শুনতে পাই, সাহেবের আলগা ঘাটে একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। গিয়ে দেখি মাছের ওজন ১৭ কেজি।’

কুড়িগ্রাম জেলার মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায় প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন এলাকায় মাঝে মাঝে বড় বড় বাড়াড়সহ অন্যান্য মাছ ধরা পড়ছে। এতে জেলে ও ব্যবসায়ীরা উভয়ই খুশি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন