সদর উপজেলার পয়াগ নরসিংসার এলাকার মোহাম্মদ আলী গত ২৫টি গরু নিয়ে হাটে এসেছেন। এর মধ্যে 'বাহুবলী' ও 'পুষ্পা' নামের সর্বোচ্চ দামের দুটি গরু রয়েছে। তিনি বলেন, সর্বনিম্ন তিন লাখ থেকে নয় লাখ টাকা মূল্যের গরু রয়েছে।

সুহিলপুর গ্রামের মতিন মিয়া বলেন, ৩০টি গরু মধ্যে ৪টি বিক্রি করতে পেরেছেন। হাটে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। এর মধ্যে অনেকেই দামাদামি করে ফিরে যাচ্ছেন।

কুড়িগ্রাম থেকে ১৫টি গরু এনেছেন আক্তার আলী (৩৫)। তিনি বলেন, দামাদামি করছেন অনেকে, তবে সুবিধামতো না হওয়ায় গরু বিক্রি করেননি। আশা করছেন, আগামীকালের মধ্যে সব গরু বিক্রি করতে পারবেন।

default-image

গরু কিনতে আসা শরিফুল আলম বলেন, বিক্রেতারা যে দাম বলছেন গতবারের তুলনায় একেকটি গরু ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেশি। গত বছর যে গরু ৫০ হাজার টাকায় কেনা গিয়েছিল, সেসব গরু বিক্রিতে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকার নিচে নামছেন না বিক্রেতারা। অন্যান্য হাটেও গরু নেই।

আরেক ক্রেতা রিপন মিয়া বলেন, 'গত বছর শেষের দিকে যতগুলো গরু ফেরত গিয়েছিল, তার অর্ধেক পরিমাণও এবার গরু হাটে দেখছিনা। এবার গরুর দামও বেশি।'

গরু দাম বৃদ্ধির বিষয়টি বিক্রেতারাও স্বীকার করছে। তবে তাঁদের দাবি গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে গরুর দাম এবার বেড়ে গেছে।

খামারি লোকমান মিয়া বলেন, 'ক্রেতারা শুধু শুধুই দাম বাড়তি বলছেন। গরুর খাবার খৈল, ভুসি, খড়, ঘাসের দাম যে বেড়েছে, সেটা কেউ বলে না। আগে যে ভুসির দাম ১ হাজার টাকা ছিল, তা এখন ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচা ঘাস তো বন্যার প্রভাবে জন্য পাওয়া যাচ্ছে না। পাওয়া গেলেও দাম দ্বিগুণ।'

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন