default-image

বাড়ির চারতলা থেকে নেমে আগুন পোহাতে নিচতলার গ্যাসের চুলার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল শিশু শাহিলা আক্তার (৭)। এ সময় কাপড়ে আগুন লেগে ওই শিশু দগ্ধ হয়। আজ বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাঁটিহাতা গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আগুনে শাহিলার শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

আহত শিশু শাহিলা খাঁটিহাতা গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাসকারী আরশ মিয়ার মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার নুরপুরে। খাঁটিহাতা গ্রামের মুহাম্মদ এমদাদ ভূঁইয়ার বাড়িতে চারতলায় ভাড়া থাকেন শাহিলার মা–বাবা।

হাসপাতাল ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে শাহিলার মা তাকে ঘরের ভেতর রেখে পাশের বাড়িতে যান। এ সময় চতুর্থ তলা থেকে নিচে নেমে আগুন পোহাতে গ্যাসের চুলার সামনে গিয়ে দাঁড়ায় শাহিলা। এ সময় অকস্মাৎ গ্যাসের চুলার আগুন শাহিলার পরনের কাপড়ে লেগে যায়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে শাহিলা দগ্ধ হয়। তার চিৎকার শুনে তার মাসহ স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেন।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাঁটিহাতা গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আগুনে শাহিলার শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
বিজ্ঞাপন

বাড়ির মালিক মুহাম্মদ এমদাদ ভূঁইয়া জানান, বাড়ির সবার গ্যাসের রান্নার চুলা নিচতলায় অবস্থিত। শাহিলার চিৎকার শুনতে পেয়ে তাঁরা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক এ বি এম মুসা চৌধুরী জানান, গ্যাসের আগুনে শিশুটির শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে শিশুটিকে ভর্তি রেখেছেন তাঁরা। শিশুটির পা থেকে ঘাড় পর্যন্ত সামনের ও পেছনের অংশ এবং মুখমণ্ডলের থুতনির নিচের অংশ আগুনে ঝলসে গেছে। শাহিলার উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। তাহলে শিশুটিকে বাঁচানো যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন