বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও গ্রামবাসী আরও জানান, এই ঘটনার জের ধরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবু তালেবের নেতৃত্বে তাঁর সমর্থকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা, দা, বল্লম ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌনে এক ঘণ্টা পরে পরিস্থিতি শান্ত করে।

সংঘর্ষে ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন সরাইল থানার উপপরিদর্শক জসিম উদ্দিন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। হামলায় ফজল ইসলামের পক্ষের আহত আবন মিয়া (৫০) ও রুবেল মিয়াকে (২০) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আবু তালেবের পক্ষের আহত ইনছান আলী (৩৭), মিন্টু মিয়া (৩০), জব্বার মিয়া (৪০) ও শফিক মিয়াকে (৪০) চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে পুলিশ ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করে। দুপুরের পর তাঁদের ১৫১ ধারায় (কোনো সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশ দেওয়ার পরেও সেখানে শরিক হওয়া) গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

default-image

এ ছাড়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আহত মিন্টু মিয়া (৩৫), রমজান আলী (৬০), লিটন মিয়া (৪০), সানু মিয়া (৪৫), শিপন মিয়া (১৮), আবির আহমেদ (৮) সাদেক আলী (৪৫) ও আসমা বেগমকে উপজেলা ও জেলা সদরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফজল ইসলামের ছোট ভাই তোফাজ্জল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিপক্ষের লোকজন সমাজে নানা অপকর্ম করে বেড়ায়। তাঁদের অপকর্মে বাধা দিলেই হামলা, ভাঙচুর করে মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি করে থাকে। আজও তারা বিনা কারণে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে।’ এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে আবু তালেবের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গ্রামের পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত আছে। এ ব্যাপারে কোনো পক্ষই এখনো থানায় অভিযোগ দেয়নি। আজ দুপুরের পর চারজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন