বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, সদর উপজেলায় মাধ্যমিকের ৬ লাখ ৮ হাজার ৯৩০ বই, দাখিলের ৬৬ হাজার ৬৪০ বই ও এবতেদায়ির ৩১ হাজার ৬০০ বইয়ের চাহিদা রয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ বই এসেছে। প্রায় প্রতিদিনই আসছে। সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

এদিকে আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলার নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চবিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান। করোনার কারণে অনেকটা অনাড়ম্বর পরিবেশেই বছরের প্রথম দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে।

default-image

এ সময় সেখানে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন কুমার ভট্টাচার্য্য, নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহিদুল ইসলামসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বছরের প্রথম দিনে নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির স্বর্ণা আক্তার ও ষষ্ঠ শ্রেণির তানজিনা আক্তার নোভা বলে, ‘করোনা মহামারির মধ্যে সময়মতো বই পাব, সেটা আমরা ভাবতে পারিনি। কিন্তু বছরের প্রথম দিনই বই পেয়ে আনন্দ লাগছে।’

বই বিতরণ শেষে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, এ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের প্রায় ২৩ লাখ ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ৪১ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে বই বিতরণ করা হবে। ইতিমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ের সব বই এসেছে। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ের কিছু বই এখনো আসেনি। পর্যায়ক্রমে সবগুলো বই শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন