default-image

করোনা মহামারির প্রকোপ ঠেকাতে দেশব্যাপী ‘সর্বাত্মক লকডাউন’সহ জনসমাগমের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। এরই মধ্যে আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রেসক্লাবের সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন।

মানববন্ধনে বক্তারা জেলায় গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ হেফাজতে ইসলামের সহিংসতা-নাশকতার ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। এ ছাড়া স্থানীয় সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে কটূক্তি, ২৮ মার্চ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের ব্যক্তিগত কার্যালয়, নিজের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং এবং জাতির জনকের ম্যুরাল ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার প্রতিবাদ জানান মুক্তিযোদ্ধারা। বক্তারা সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা জেলায় গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ হেফাজতে ইসলামের সহিংসতা-নাশকতার ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক ওয়াসেল সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম ভূঁইয়া, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সভাপতি আক্তার হোসেন, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার তাজুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবু হোরাইরা।

সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবু হোরাইরা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর, সাংসদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। লকডাউনে এ ধরনের কর্মসূচির স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই মানববন্ধন করেছি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেছি।’

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন