বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার রাজঘর দক্ষিণপাড়ার আবদুল কাদের জনি (২০), শহরের ভাদুঘর এলাকার মো. ফুজাইল (৪০) ও সদর উপজেলার কুট্টাপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম ওরফে নূরে আলম (২৫)। তাঁদের মধ্যে কাদের ও নুরুল গত ২৮ মার্চ এবং ফুজাইল গত ২৬ মার্চের সহিংসতার ঘটনায় জড়িত।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। জেলাজুড়ে হেফাজতের কর্মী-সমর্থকেরা ওই হামলা চালান। জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৬টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৪১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। বাকি সবাই অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী।

৫৬টির মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি, সরাইল থানায় ২টি ও আখাউড়া রেলওয়ে থানায় ১টি মামলা হয়। সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা শুরু করেছে। গতকাল মধ্যরাত থেকে আজ সকাল নয়টা পর্যন্ত পুলিশের বিশেষ আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় জেলার সদর, আশুগঞ্জ ও সরাইল উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. রইছ উদ্দিন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন স্থানে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হেফাজতের কর্মী-সমর্থক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন