default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতায় অংশ নেওয়া হেফাজতের ইমাম ও ওলামা পরিষদের দুই নেতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসব ঘটনায় হওয়া মামলায় এখন পর্যন্ত ৩৭৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুই নেতা হলেন সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়ন ছাত্র ওলামা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক এবং আশুগঞ্জ উপজেলার হেফাজতে ইসলামের ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ। এ নিয়ে ঘটনার এক মাসে হেফাজতের পদধারী তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। জেলাজুড়ে হেফাজতের কর্মী-সমর্থকেরা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালান। জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৬টি মামলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এসব মামলায় ৪০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৪১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি সবাই অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী। ৫৬টির মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি, সরাইল থানায় ২টি ও আখাউড়া রেলওয়ে থানায় ১টি মামলা হয়।

পুলিশ জানায়, ২৮ মার্চ হেফাজতের হরতাল চলাকালে শহরের টিএরোড এলাকায় সহিংসতায় মোজাম্মেল হক এবং একই দিন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জে সড়ক অবরোধ ও টায়ারে আগুন দিয়ে পিকেটিংয়ের সঙ্গে ওবায়দুল্লাহ জড়িত ছিলেন। বাকি চারজন হেফাজতের কর্মী-সমর্থক। এর আগে গত রোববার রাতে জেলা হেফাজতের সহকারী প্রচার সম্পাদক মুফতি জাকারিয়া খানকে (৪৩) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. রইছ উদ্দিন বলেন, গতকাল বিভিন্ন স্থানে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে হেফাজতের দুই নেতা মো. মোজাম্মেল হক ও ওবায়দুল্লাহ আছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন