বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডিলার পর্যায়ে বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের খুচরা মূল্য ১৬৮ টাকা, দুই লিটারের বোতল ৩১০-৩১৮ টাকা ও পাঁচ লিটার বোতলের দাম ৭৬০-৭৯০ টাকা। কেজিতে ১০-২০ টাকা লাভে ব্যবসায়ীদের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করার কথা।

জেলা শহরের জগত বাজার, আনন্দবাজার ও ফারুকী মার্কেটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্যবসায়ীরা এক লিটার তেল ১৯০-২০০ টাকা দরে কিনে ২১০ টাকায় বিক্রি করছেন। দুই লিটার ৪২০ টাকায় কিনে ৪৩০ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৪০ টাকা দরে কিনে ৯৫০-৯৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, বিভিন্ন কোম্পানির ডিলাররা তেলসংকট রয়েছে বলে সরবরাহ করছেন না। করলেও পাঁচ লিটার বোতলজাত তেলের সঙ্গে ২৭০ টাকা মূল্যের পাঁচ কেজি আটা অথবা ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা মূল্যের আধা কেজি মরিচ কিংবা ২১০ থেকে ২২০ টাকা মূল্যের আধা কেজি চা-পাতা নিতে বাধ্য করছেন।

শহরের জগত বাজারের ব্যবসায়ী রতন মিয়া বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে তেলের সংকটসহ দাম বেড়েছে। ক্রেতাদের ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষা করছে বলেছি।’
জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ক্রেতা বলেন, পরিচিত এক দোকান থেকে পাঁচ লিটারের তেল কিনতে গিয়েছিলেন। প্রথমে দোকানি তেল নেই বলে জানান। তবে দাম বেশি দিলে জোগাড় করে দিতে পারবেন। পরে পাঁচ লিটারের বোতল ১ হাজার ১০ টাকায় কেনেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রূপচাঁদা ব্র্যান্ডের ডিলারশিপ পরিচালনা করেন প্রণয় সাহা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘১৫ দিন ধরে তেলের সরবরাহ নেই। দোকানদারকে দিতে পারছি না। বাজারে বর্তমানে সয়াবিন তেলের সংকট রয়েছে। এ কারণে ব্যবসায়ীরা হয়তো অন্য কোথাও থেকে বেশি দামে কিনে এনে বিক্রি করছেন। দাম বেশি রাখছেন।’

রূপচাঁদা সয়াবিন তেলের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিলার জেলা চেম্বারের সহসভাপতি ও জগত বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মেসার্স শাহজাহান স্টোরের মালিক শাহজাহান মিয়া। তাঁর ছেলে জুয়েল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডিস্ট্রিবিউটর ও দোকানদারের কাছে এক লিটার ১৫৮ টাকা, দুই লিটার ৩১০-৩১৫ টাকা ও পাঁচ লিটার ৭৪০ টাকা দরে বিক্রি করি। কিন্তু ২০ দিন ধরে আমরা তেল সরবরাহ পাচ্ছি না। দোকানে বেশি দামে তেল বিক্রি হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। ঈদের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন