default-image

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের সহিংসতার ঘটনায় পুলিশকে দোষারোপ করেছেন। আজ শনিবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

এর আগে গত ২৯ মার্চ হেফাজতের সহিংসতার জন্য প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তাকে দায়ী করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। জাফরুল্লাহর নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব পরিদর্শন করেন। এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনে হেফাজতের কর্মী–সমর্থকদের হামলা-ভাঙচুরের বর্ণনা দেন। এরপর প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন তাঁর ওপর হেফাজতের কর্মী-সমর্থকদের হামলার বিষয়টি তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আমার কাছে সবচেয়ে আশ্চর্য লাগছে, পুলিশের এত গাড়ি পোড়াচ্ছে, আর ওনারা ঘুমাচ্ছেন মনে হয়। আজকে আমি শহরে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ঢোকার আগেই তাঁরা (পুলিশ) খোঁজ নিচ্ছে আমি কোথায় যাব, না যাব—এতটা সচেতন আছে পুলিশ। সেই পুলিশ কীভাবে এত বড় ঘটনার খবর জানল না! সাংসদ মোকতাদির চৌধুরী সরাসরি পুলিশকে দোষারোপ করেছেন। এই মুহূর্তে আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাই না। শুধু দুঃখ প্রকাশ করতে পারি। সাংবাদিকদের কাজ হলো সত্য তুলে ধরা। আপনারা অনেক জায়গায় সেটি করে যাচ্ছেন।’

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ভাষানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম ও প্রেসিডিয়াম সদস্য নাঈম জাহাঙ্গীর, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, রাষ্ট্রচিন্তার হাসনাত আবদুল কাইয়ূম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন