বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মনিরুল হেফাজতের সহিংসতার সঙ্গে সম্পৃক্ত না। তাঁকে অযথা মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে। এলাকায় ডেকোরেটরের ব্যবসা করেন। মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখার কারণেই এলাকার মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।
হুসেন মিয়া, মনিরুল ইসলামের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সদর উপজেলার ১০টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে তালশহর পূর্ব ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আটজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে চশমা প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল ইসলাম ৩ হাজার ৯৬১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নৌকা প্রতীকের আবদুস সালাম ২ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়েছেন।

জেলা ইসলামী ঐক্যজোটের যুগ্ম সম্পাদক মুফতি এনামুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, মনিরুল সদর উপজেলা ইসলামী ঐক্যজোটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তবে তিনি স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন।

কারাগারে থাকায় এই প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার কাজ করেছেন সাবেক ইউপি সদস্য হুসেন মিয়া। তিনি এই প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি সম্পর্কে মনিরুল ইসলামের চাচাতো ভাই।

হুসেন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের ২১ জুন হেফাজতের সহিংসতার ঘটনায় মনিরুল ইসলামকে আটক করে ১৪টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ পর্যন্ত ১৩টি মামলায় মনিরুলের জামিন হয়েছে। সবশেষ গত ২০ ডিসেম্বরও একটি মামলায় তিনি জামিন পান। কিন্তু একটি মামলায় জামিন পেলে আবার আরেকটি মামলা সামনে আসে।

হুসেন মিয়া আরও বলেন, ‘মনিরুল নিজে থেকেই ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়েছেন। তাই তাঁর পক্ষে আমি সব কাজ করেছি। মনিরুল হেফাজতের সহিংসতার সঙ্গে সম্পৃক্ত না। তাঁকে অযথা মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে। এলাকায় ডেকোরেটরের ব্যবসা করেন। মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখার কারণেই এলাকার মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।’

চশমা প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল ইসলাম ৩ হাজার ৯৬১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নৌকা প্রতীকের আবদুস সালাম ২ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়েছেন।

শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতার মাধ্যমে মনিরুলের প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে জানান হুসেন মিয়া। তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য পরিবারের লোকজন তাঁর নির্বাচনী পোস্টার, ফরিদ মিয়া নামের এক ভাতিজা ৫০ হাজার টাকা এবং মো. আলাউদ্দিন নামের এক ভাতিজা ৬ হাজার টাকা দিয়েছেন।

পঞ্চম ধাপে গতকাল সদর ও আশুগঞ্জ উপজেলার ১৮ ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ৬ ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি ১২টি ইউপিতে আওয়ামী লীগ ধরাশায়ী হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন