বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যাঁদের বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে তাঁরা হলেন—বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম মাসুদ রানা মান্নান (বড়াইগ্রাম ইউপি), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মস্তফা শামসুজ্জোহা (নগর ইউপি), আবদুস সালাম খান (গোপালপুর ইউপি), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও চান্দাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনিসুর রহমান (চান্দাই ইউপি) ও জোনাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ আবুল কালাম আজাদ (জোনাইল ইউপি)।

দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড পাঁচজনকে চূড়ান্ত করে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে। দলের এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরও অনেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। আমরা বর্ধিত সভা করে তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। এমনকি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করেছি। কিন্তু তাঁরা নির্বাচন থেকে সরে আসেননি। তাই তাঁদের বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এখন কেন্দ্র থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল কুদ্দুস মিয়াজী বলেন, দলের মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাই নিরুপায় হয়েই বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফা ইউপি নির্বাচনে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন