default-image

ভরণপোষণের দাবিতে বাবার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সন্তানেরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

পাশের নগরকান্দা উপজেলার কল্যাণপুট্টি গ্রামের ফিরোজ খানের সন্তানেরা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এতে বক্তব্য দেন ফিরোজ খানের ছেলে নগরকান্দা সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সুমন খান (১৮)। এ সময় সুমনের ছোট দুই ভাই ও মা ইসমত আরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সুমন বলেন, বাবা ফিরোজ খান তাঁদের (সন্তানদের) মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। তাঁদের মাসহ তিন ভাইকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা নানাবাড়িতে অবস্থান করছেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ভরণপোষনের জন্য ইসমত আরা আদালতের মাধ্যমে দাবি জানিয়ে এবং যৌতুকের অভিযোগে ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। সে মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দেন তাঁরা তিন ভাই। এ ঘটনায় বাবা ফিরোজ খান তাঁদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে ইসমত আরা বলেন, ২২ বছর আগে ১৯৯৯ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। এরপর তাঁদের তিন ছেলে হয়। আর্থিক অনটনের মুখে ইসমত আরা প্রথমে জর্ডানে যান, পরে সৌদি আরবে কাজ পেয়ে সেখানে যান। এ সময়ে নিজের উপার্জিত অর্থ থেকে ও বাবার বাড়ি থেকে কিছু টাকা এনে ফিরোজকে ওমানে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার বছরখানেক পরই ফিরোজ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। সন্তানদেরও খোঁজখবর নেন না। পরে তাঁরা জানতে পারেন, তিনি সেখানে দুটি বিয়ে করেছেন এবং বর্তমানে এক নারীর সঙ্গে থাকছেন। গত ৭ জানুয়ারী ফিরোজ ওই নারীকে নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। তাঁরা প্রতিবাদ জানালে ক্ষিপ্ত হন ফিরোজ। তিনি সন্তানদের নিয়ে ভয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফিরোজ খান অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, এটা সত্য তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন। এসব কারণে সন্তানেরা এখন তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে নানা অভিযোগ তুলছে। তিনি কাউকে কোনো হুমকি দেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন