বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, গ্রামের খেতগুলোতে পানি যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এলাকায় নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল রয়েছে। বৃষ্টিও হচ্ছে। উজান থেকে পানিও আসছে। অধিকাংশ নিচু এলাকায় এর মধ্যে পানি ঢুকেছে। ওই সব এলাকায় কী কারণে জমিতে পানি ঢুকছে না, তা বোধগম্য নয়।

৫ আগস্ট মির্জাপুরের মহেড়া ও ফতেপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, ভরা মৌসুমেও গ্রামগুলোর জমিতে পানি নেই। ব্যাহত হচ্ছে আমন ধানের চাষ। কৃষকেরা জমিতে গরু-ছাগল চরাচ্ছেন। উপজেলার সমতল ভূমি ভাতগ্রাম, গোড়াই ও জামুর্কী ইউনিয়নের অন্তত ১০ গ্রামে পানি নেই বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, এসব গ্রাম সমতল এলাকায়।

নগর ছাওয়ালী গ্রামের বিপ্লব হাওলাদার বলেন, ‘ব্যার (বড়) জাল দিয়্যা মাছ মারি। সেগুলো দিয়্যা চলি। অহন তো চক দিয়্যা পানি নাই। আমাদের খুব অসুবিধা। আমাগো কোনো দিকে কোনো সাহায্যও দেয় নাই। অহন কি কইর‌্যা চলুম।’

স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, মহেড়া ইউনিয়নের গ্রামনাহালী আদাবাড়ি, ভাতকুড়া, ছাওয়ালী, গোড়াকী, ফতেপুর, পাকুল্যা বিল, স্বল্প মহেড়া, বিল মহেড়া, গবড়া, হাবলাসহ ১৫-১৬ গ্রামে পানি নেই। এ ছাড়া ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর, হিলড়ার কিছু অংশ, বহনতলী এলাকাতেও পানি আসেনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ভরা মৌসুমেও বিভিন্ন এলাকায় পানি না আসার কারণে কৃষকেরা পিকআপ ভ্যানে করে পাট অন্যত্র নিয়ে পচাচ্ছেন। পানি বেশি হলে বোনা আমন ভালো হয়। এখনো অনেক জায়গা শুকনা রয়ে গেছে। সেখানে বোনা আমন হবে না। তবে ওই এলাকার কৃষকেরা কিছু রোপা আমনের চাষ করতে চেষ্টা করছেন। কৃষি বিভাগ কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে।

উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন বলেন, জেলেরা সমস্যায় রয়েছেন। কারণ, এ মৌসুমেই তাঁদের সবচেয়ে বেশি আয় হয়। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন