বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউজিসি সূত্র জানায়, ভর্তি ফরম বিক্রি থেকে প্রাপ্ত আয়ের ৬০ শতাংশ অর্থ ভর্তি পরিচালনার জন্য সার্বিক ব্যয় নির্বাহের নিয়ম আছে। বাকি ৪০ শতাংশ অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা রাখতে হয়। কিন্তু এই অর্থ ভাগ-বাঁটোয়ারা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই অভিযোগ তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক আবু তাহেরের সঙ্গে কমিটির সদস্য ইউজিসির অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপপরিচালক মোস্তাফিজার রহমান এবং ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক গোলাম দস্তগীর উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে উপাচার্য ফারজানা ইসলাম, সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) নূরুল আলম, সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) শেখ মো. মনজুরুল হক, কোষাধ্যক্ষ রাশেদা আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে আবু তাহের সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার আর্থিক হিসাবের সব নথিপত্র সংগ্রহ করেছি আমরা। তদন্তের বাকি কাজ শেষ করে শিগগিরই বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার বলেন, ‘তাঁরা আমাদের কাছে যেসব নথিপত্র চেয়েছেন, সেগুলো তাঁদের হাতে তুলে দিয়েছি। বাকিটা তদন্ত কমিটির ব্যাপার।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন