বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রীতি সাহাকে পরিবারের সবাই ডাকেন অন্বেষা নামে। তাঁর বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা নিয়ামতপুর ইউনিয়নের বাড়ৈইপাড়া গ্রামে। স্কুলশিক্ষক তপন কুমার সাহা ও শিপ্রা সাহার মেয়ে তিনি। তাঁর বড় ভাইয়ের নাম সৌমিক সাহা।

default-image

প্রীতি সাহা কালীগঞ্জ শহরের সরকারি মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর মা শিপ্রা সাহা একই উপজেলার মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

প্রীতির বাবা তপন কুমার সাহা বলেন, ৬ জানুয়ারি বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার পথে ফারাসপুর বটতলা নামের স্থানে ইজিবাইক থেকে পড়ে যান প্রীতি। এতে তিনি মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। এরপর তাঁকে নেওয়া হয় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখান থেকে তাঁকে যশোর, পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে ঢাকায় নেওয়া হয়। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ১১টায় তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার গ্রামে তাঁর শেষকৃত্য করা হয়।

প্রীতির কাকাতো ভাই সবুজ কুমার সাহা বলেন, ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে ছোট বোন প্রীতি খুব আনন্দ করছিলেন। গায়েহলুদে পরবেন বলে শাড়িও কিনেছিলেন। ২৪ জানুয়ারি বিয়ের তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই চলে যেতে হলো, যা তাঁরা কখনো ভাবতে পারেননি। তবে শেষবিদায়ের আগে প্রীতির গায়ে তাঁর কেনা পছন্দের হলুদরঙা শাড়িটি জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এটি তাঁদের মনের সান্ত্বনা।

প্রীতি সাহার স্কুলশিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, প্রীতি শুরু থেকেই মেধাবী ছিলেন। কলেজের বার্ষিক ক্লাস পরীক্ষায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। তাঁর এভাবে চলে যাওয়াতে সবাই শোকাহত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন