বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আল আমিন ও পলাশ মিয়া সৎভাই। একই বাড়িতে তাঁরা পৃথকভাবে বসবাস করেন। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে তাঁদের বাড়ির সামনে ইঞ্জিনচালিত শ্যালো মেশিন বসানো হয় বোরো খেতে পানি দেওয়ার জন্য। এ সময় পলাশ তাঁর খেতে আগে পানি দিতে বলেন। বিষয়টি নিয়ে বাড়ির সামনে উঠানে ভাইদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আল আমিন উত্তেজিত হয়ে পলাশকে বাঁশের লম্বা লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে পলাশ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পলাশের সহোদর পিতাস মিয়া (২০) বলেন, ‘আমরা পাঁচ ভাই। এক মায়ের গর্ভের চার ভাই। আল আমিন সবার বড়। গতকাল খেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে আল আমিন আমাদের সঙ্গে ঝগড়া করে পলাশকে মাথায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলেছে। আমি তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ এদিকে ঘটনার পর থেকে আল আমিন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান আজ শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন