বিজ্ঞাপন

আজ সকাল আটটার দিকে ফেরি ঘাট থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ভাটিতে বাহির চর সাত্তার মেম্বারপাড়ায় লাশ ভেসে ওঠার খবর পেয়ে ছুটে যান মারুফের বড় ভাই ফারুক হোসেন, ছোট ভাই শাহিন হোসেন ও শ্যালক মো. খোকন। লাশের পরনের শার্ট-প্যান্ট ও চেহারা দেখে তাঁরা শনাক্ত করেন, এটি নিখোঁজ মারুফ হোসেনের লাশ। এ সময় তাঁর পকেটে মাইক্রোবাসের চাবিও পাওয়া যায়।

বড় ভাই ফারুক হোসেন বলেন, গ্রামের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে হলেও সবাই ঢাকায় বড় হয়েছেন। ঢাকাতেই চাকরি-ব্যবসা করেন। তিনি ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশটি দ্রুত ঢাকায় নিয়ে দাফন করার আকুতি জানান তিনি।

default-image

লাশের পাশে বসে মুঠোফোনে স্বজনদের খবর দিচ্ছিলেন আর আহাজারি করছিলেন মারুফের ছোট ভাই শাহিন হোসেন। তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, ‘দুর্ঘটনার দিন মাইক্রোবাসটি যখন টেনে তোলা হলো, তখন পেছনের ডালা খোলা ছিল। যদি গাড়ির ভেতর লাশ থাকে, তাহলে ওই স্থানেই পড়ে ছিল। তখন ফায়ার সার্ভিসের দল বা উদ্ধারকারী দল খোঁজ করতে থাকলে অবশ্যই লাশটি পেত। কিন্তু মাইক্রোবাসটি উপড়ে টেনে তোলার পর থেকে চালকের কেউ সন্ধান করেনি। প্রশাসনের লোকজনেরও তেমন কোনো তৎপরতা দেখিনি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন