বিজ্ঞাপন

পরিস্থিতি দেখতে গতকাল সোমবার দুপুরে প্রতিটি ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী মহিদুল ইসলাম, পরিচালক শাহজাহান, রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রধান প্রকৌশলী আবদুল হাকিম, গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুল হক, পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম মণ্ডল, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান মণ্ডল প্রমুখ।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁরা পাটুরিয়া থেকে স্পিডবোটে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে আসেন। পরে প্রতিটি ফেরিঘাট এলাকা ঘুরে সবশেষ ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নামেন।

এ সময় ইউএনও আজিজুল হক বলেন, এখানকার মানুষ ভাঙন–আতঙ্কে রাত পার করছে। এসব মানুষের বসতভিটা টিকিয়ে রাখতে হবে। তাদের রক্ষা করেই ফেরিঘাটের ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সী বলেন, লঞ্চঘাট থেকে শুরু করে প্রতিটি ফেরিঘাট ভাঙনের ঝুঁকিতে। স্থানীয় মজিদ শেখেরপাড়া, সিদ্দিক কাজীপাড়া ও ছাত্তার মেম্বারপাড়ার প্রায় এক হাজার পরিবার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা ছাড়া কাজের কাজ কিছু হয় না। এভাবে বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানো যাবে না।

বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক বলেন, ‘লঞ্চঘাট এবং ১, ২, ৩ ও ৭ নম্বর ফেরিঘাট ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঈদের আগে অন্তত ছয়টি ফেরিঘাট চালু রাখতে চাই। নবনির্মিত ৭ নম্বর ঘাট রো রো ফেরির জন্য করা হয়েছে। এটিকে সচল রাখতে হবে। ১, ২ ও ৩ নম্বর ঘাট ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকলেও তা চালুর ব্যবস্থা করা হবে।’ গোলাম সাদেক জানান, আপাতত ভাঙন এলাকায় জরুরিভাবে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হবে। আগামী নভেম্বরের মধ্যে ঘাটের আধুনিকায়ন করতে ফেরিঘাট এলাকার দুই কিলোমিটার এবং আপের আরও চার কিলোমিটার নদীশাসনের কাজ শুরু হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন