বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রবিন খান বলেন, পাখী বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পাখী বেগমের বাবা মোক্তেল মাতুব্বর বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন।

এদিকে ভাঙ্গা পৌরসভার আতাদী এলাকায় ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ শম্পা বেগমের (৩৬) লাশ পাওয়া গেছে। তিনি ওই মহল্লার কামরুল মাতুব্বরের (৪২) স্ত্রী। দুই ছেলের মা শম্পা। কামরুল মাতুব্বর বাসের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে শম্পা বেগম ও কামরুল মাতুব্বরের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। গতকাল সন্ধ্যা ছয়টায় শম্পা বেগমের ছোট ছেলে রিফাত (৮) ঘরের বারান্দার আড়ার সঙ্গে তাঁর মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার দেয়। পরে পরিবারের অন্য সদস্য ও প্রতিবেশীরা এসে শম্পা বেগমকে নামিয়ে দ্রুত ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহীদুল হাসান বলেন, গৃহবধূ শম্পার লাশ উদ্ধার করে আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শম্পার ভাই রনি মাতুব্বর বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন