বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বড়ইকান্দি গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ইউএনও কার্যালয়ের অনেকের সঙ্গে জানাশোনা আছে এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধার বিভিন্ন কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে শাহেদা বেগম ছয়জনের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। পরে কার্ডের জন্য তাঁর কাছে দিনের পর দিন ধরনা দিয়েও কার্ড না পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে তিনি টালবাহানা শুরু করেন। টাকার জন্য চাপ দেওয়ায় উল্টো আদালতে মামলা ঠুকে দেন।

নবীতন বেগম নামের ভুক্তভোগী নারী বলেন, ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে শাহেদা তাঁর কাছ থেকে ১২ হাজার ৬০০ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আর কার্ড দেননি।

ভুক্তভোগী ফুলেরা বেগম বলেন, ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলে শাহেদা ৯ হাজার ৫০০ টাকা চেয়ে বসেন। সেই কার্ডের জন্য সুদের ওপর টাকা নিয়ে শাহেদার হাতে তুলে দেন। কিন্তু কার্ড আর পাননি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে শাহেদা বেগম বলেন, তিনি কারও কাছ থেকে কার্ড দেওয়ার কথা বলে কোনো টাকা নেননি। উল্টো কয়েকজন নারী তাঁর বাড়িতে এসে গোয়ালের গরু এবং বাড়ির ইট খুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। বাধ্য হয়ে তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন।

এ বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এই অভিযোগ অনেক পুরোনো। আমি চেয়ারম্যান হিসেবে অল্প কিছুদিন আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। প্রশাসনে যেহেতু অভিযোগ করা হয়েছে, বিষয়টি তারাই তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন