বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের সেপ্টেম্বরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্বাস্থ্য পরিদপ্তরের অধীনে ‘কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার অপারেশনাল প্ল্যান’-এর আওতায় কাজের বিনিময়ে প্রণোদনা ভাতা ভিত্তিতে উপজেলার ১৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকে মোট ১০৫ স্বেচ্ছাসেবক নেওয়া হয়। তাঁদের মাসিক প্রণোদনা ভাতা ৩ হাজার ৬০০ টাকা করে দেওয়ার কথা।

* ফেব্রুয়ারি-মে মাসের ভাতা থেকে আয়কর ও নিরীক্ষা ফি কেটে নেওয়ার নির্দেশনা আছে। * সেপ্টেম্বর-জানুয়ারি মাসের ভাতা থেকে এসব ফি কাটার নির্দেশনা নেই।

অভিযোগের বিষয়ে কথা হয় কয়েক স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা বলেন, এই কাজে যুক্ত হওয়ার পর গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতি মাসে ৩ হাজার ৬০০ টাকা করে মোট ১৮ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৪ মাসের ভাতা ১৪ হাজার ৪০০ টাকার পরিবর্তে বিতরণ করা হচ্ছে ১০ হাজার ৪০০ টাকা। বাকি টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তা (টিএইচও) আবদুল কাদের বলেন, এমএইচভি ১০৫ জনকেই তাঁদের যথাযথ প্রাপ্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশেই ১০ শতাংশ আয়কর বাবদ ১ হাজার ৪৪০ টাকা, ৫ শতাংশ নিরীক্ষা ফি বাবদ ৭২০ টাকা কাটা হয়েছে। প্রথম পাঁচ মাসের ভাতা থেকে এসব খাতের টাকা কাটা হয়নি। তাই এবারের ভাতা থেকে আগের ৫ মাসের আয়কর বাবদ ১ হাজার ৮০০ ও স্ট্যাম্প ফির ৪০ টাকা কেটে রাখা হয়েছে।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখন যে ভাতা (ফেব্রুয়ারি-মে) বিতরণ করা হচ্ছে, সেই ভাতার অর্থ থেকে কেবল আয়কর ও নিরীক্ষা ফি কেটে নেওয়ার নির্দেশনা আছে। আগের পাঁচ মাসের ভাতা থেকে এসব ফি কাটার নির্দেশনা নেই।

জানতে চাইলে আবদুল কাদের বলেন, আয়কর ও স্টাম্প ফি কেটে রাখার বিষয়ে তিনি কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার অপারেশনাল প্ল্যানের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তার কাছে থেকে মৌখিক নির্দেশনা পেয়েছেন। সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন রামপদ রায় বলেন, চার হাজার টাকা কেটে রাখার বিষয়ে তিনি জানেন না। খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন