মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে শহিদুল ইসলামকে একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় শহিদুল ইসলাম তাঁর কাছে অস্ত্র ও গুলি থাকার কথা স্বীকার করেন। এরপর ১০ আগস্ট ভোরে পুলিশ শহিদুল ইসলামকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে যায়। এ সময় তাঁর বসতবাড়ির রান্নাঘর থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় একটি দেশীয় পাইপগান ও দুইটি গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভান্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল হক বাদী হয়ে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভান্ডারিয়া থানার এসআই ফেরদৌস হোসেন তদন্ত শেষে শহিদুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আসামি শহিদুল ইসলামের অনুপস্থিতে আজ এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

সরকারের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সহকারী সরকারি কৌঁসুলি মো. জহুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ২০১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সকালে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান। শহিদুল ইসলাম ওই হত্যা মামলার প্রধান আসামি। এ মামলায় শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে। শহিদুল ইসলাম কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে পলাতক আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন