আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজব লাল যাদব ভারতের বিহার প্রদেশের মাধুরানী জেলার বাসিন্দা। তিনি ২০১৪ সালের ২৮ মে ঈশ্বরদীর রশিদ অয়েল মিলে রিফাইনারি ইনচার্জ হিসেবে যোগ দেন। সেখানে ২০১৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর রশিদ অয়েল মিল থেকে চাকরিচ্যুত হয়ে তিনি অন্যত্র চাকরি নেন। তখন থেকে নাসিমাদের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি। সেখানে থাকতেই নাসিমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়।

আদালত সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ মে নাসিমাদের বাড়িতেই বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হন আজব লাল যাদব। সেখান থেকে প্রথমে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনায় পরের দিন ৭ মে ঈশ্বরদী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুর রাজ্জাক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাসিমা খাতুনকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে নিয়ে দুজনের মধ্যে সমস্যার বিষয়টি উঠে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নাসিমা আজব লাল যাদবকে ফলের রসের সঙ্গে বিষপান করিয়ে হত্যা করেন বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর আদালতে মামলাটির দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করা হলো।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেওয়ান মজনুল হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, রায় ঘোষণার সময় নাসিমা খাতুন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন