default-image

অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতের আসামে কারাভোগ করে ১৯ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁরা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মাধ্যমে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা সীমান্ত দিয়ে নিজ দেশে ফেরত আসেন। এর মধ্যে পাঁচজন নারীও আছেন।

ফেরত আসা এই ১৯ বাংলাদেশির মধ্যে কেউ ভারত হয়ে অন্য কোনো দেশে যেতে গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়ে আটকা পড়েছিলেন। আবার কেউ গিয়েছিলেন কাজের সন্ধানে। অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত আসামের গুয়াহাটিতে কারাবন্দী ছিলেন তাঁরা। দণ্ড ভোগ শেষে আজ দেশে ফেরার পর সেই দুর্বিষহ জীবনের অবসান হয়েছে তাঁদের।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁরা বিজিবি মাধ্যমে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা সীমান্ত দিয়ে নিজ দেশে ফেরত আসেন। এর মধ্যে পাঁচজন নারীও আছেন।

বিজিবির বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টায় সিলেটের বিয়ানীবাজারের শেওলা সীমান্ত দিয়ে বিজিবি-বিএসএফ কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ বিজিবি ও বাংলাদেশি ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাঁদের হস্তান্তর করে। বাংলাদেশে প্রবেশের আগে শেওলা ইমিগ্রেশন সেন্টারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি চিকিৎসা দল তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে। ১৯ জনের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ থাকায় এবং তাঁদের শরীরে করোনার উপসর্গ না পাওয়ায় বাড়িতে ফিরে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দিয়ে তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

default-image

এ সময় ৫২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গাজী শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে বিজিবি, অভিবাসন ও বিয়ানীবাজার থানা-পুলিশের একটি দল শেওলা স্থলবন্দরে উপস্থিত ছিল। বিজিবি অধিনায়ক বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক তৎপরতায় ১৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আসামের গুয়াহাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার, বিএসএফ ও আসাম পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজটি সম্পন্ন করা হয়। ১৯ জনই কারাবন্দী ছিলেন এবং দণ্ড ভোগের পর দেশে ফেরেন।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন