default-image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে কী হচ্ছে, তা নিয়ে আমাদের কোনো আগ্রহ নেই। আমরা সব প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই।’

আজ শনিবার নাটোর রাজবাড়ী ও উত্তরা গণভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কে আব্দুল মোমেন এ কথা বলেন। দুপুরে নাটোর সার্কিট হাউসে এ মতবিনিময় হয়। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র দপ্তরের ৩৮ জন কর্মকর্তা ছিলেন।

দূতাবাসের কর্মকর্তাদের দেশের প্রতিটি জেলা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার। এটা তাঁদের অনেকের মধ্যে দেখা যায় না। তাই দূতাবাসের ভবিষ্যৎ কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন জেলা সফর করছি।
এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন

মতবিনিময়ের সময় এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, নাটোরসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বিদেশিদের আকৃষ্ট করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এ জন্য দূতাবাসগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন, পর্যটন স্থাপনাগুলোর ছবি ও বিবরণসংবলিত বই তৈরি করে দূতাবাসের মাধ্যমে বিদেশিদের হাতে তুলে দিতে পারলে বাংলাদেশে আসার প্রতি তাঁদের আগ্রহ বাড়বে। তবে পর্যটকদের আবাসন ও যাতায়াতব্যবস্থা উন্নত করার ব্যাপারেও গুরুত্ব দিতে হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দূতাবাসের কর্মকর্তাদের দেশের প্রতিটি জেলা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার। এটা তাঁদের অনেকের মধ্যে দেখা যায় না। তাই তিনি দূতাবাসের ভবিষ্যৎ কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন জেলা সফর করছেন। এতে অর্থনৈতিক কূটনীতি বিকশিত হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে দেশের প্রতিটি স্থানের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে কী হচ্ছে, তা নিয়ে আমাদের কোনো আগ্রহ নেই। আমরা সব প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই।’

মতবিনিময়কালে নাটোর-১ আসনের সাংসদ শহিদুল ইসলাম, নাটোর-২ আসনের সাংসদ শফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান খান, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য পড়ুন 0