বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জ্যোতি সূত্রধরের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত জ্যোতি সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। আহত অভি চট্টগ্রাম নগরের একটি স্বর্ণের দোকানের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তাঁর বাড়ি বাঁশখালী উপজেলায়।

সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল করিম প্রথম আলোকে বলেন, দুই বছর আগে জ্যোতি সূত্রধরকে ভালোবেসে বিয়ে করেন অভি। প্রথম দিকে উভয়ের পরিবার এ বিয়ে মেনে নেয়নি। কিন্তু তাঁরা চট্টগ্রাম নগরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আলাদাভাবে সংসার করছিলেন। সম্প্রতি দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দিলে জ্যোতি তাঁর বাবার বাড়ি সীতাকুণ্ডে চলে যান। অভি তাঁকে একাধিকবার ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, জ্যোতির বাবা তাঁদের জানিয়েছেন, জ্যোতি ও অভি দুজনেই বিয়ে মেনে নেওয়ার জন্য তাঁদের নিজ নিজ পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে উভয়ের পরিবার বিয়ে মেনে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হলেও ছেলের পক্ষ থেকে যৌতুক দাবি করা হয়। বিষয়টি মেনে নেয়নি জ্যোতির পরিবার। এতে রাগে-ক্ষোভে রাতে জ্যোতিকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন অভি। এরপর নিজেও নিজের পেটে ছুরিকাঘাতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন