বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পথচারীদের কেউ দৃশ্যটি মুঠোফোনে ধারণ করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। দ্রুতই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে। দৃশ্যটি নাড়া দেয় মানুষ মনে। সাত দিন চিকিৎসার পর মাকে সুস্থ করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর জিয়াউল নিজেও আক্রান্ত হন করোনায়।

কেমন আছেন সেই মা ও তাঁর ছেলে জিয়াউল? সম্প্রতি নলছিটির সূর্যপাশার বাড়িতে গিয়ে কুশল জানতে চাইলে নলছিটি বন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেহানা পারভীন গৌরবের হাসি হেসে বলেন, ‘অনেক ভালো আছি। আমার অসুস্থতার সময় ছেলেরা যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল, তা আমার কাছে বেঁচে ফেরার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিল।’

রেহানা পারভীন বলছিলেন, ‘ওরা (ছেলে) যেটা করেছে, সেটা স্বাভাবিক। সব সন্তানেরই মা-বাবার প্রতি এমন হওয়া উচিত।’

default-image

রেহানা পারভীন শিক্ষকতার চাকরি থেকে অবসরে যাবেন ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে। অবসরে যাওয়ার পর কী করবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ওদের বাবা নেই। আমিই ওদের মা-বাবা। এ জন্য অবসরে গিয়ে ওদের সংসার গুছিয়ে দিতে চাই।’

রেহানা পারভীনের একতলা পাকা বাড়ি। তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময় পাশে ছিলেন ছেলে কৃষি ব্যাংকের লেবুখালী শাখার ব্যবস্থাপক জিয়াউলও। মাকে সুস্থ করে বাড়ি আনার অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে জিয়াউল বলেন, ‘এককথায় যদি বলি, তাহলে এটা আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ বিজয়।’

জিয়াউল বলেন, ‘মায়ের জন্য আমরা যা করেছি, সেটা খুব বেশি কিছু নয়। কারণ, মা-বাবার ঋণ কোনো কিছুর বিনিময়ে শোধ করা সম্ভব নয়। আমাদের মা সত্যি আমাদের কাছে এক অমূল্য সম্পদ। মাকে নিয়ে আমরা গর্বিত।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন