default-image

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাত মাসের কন্যাশিশু জান্নাত এখন আগের চেয়ে ভালো আছে। পেটের মধ্যে নাড়ি পেঁচিয়ে যাওয়ায় অস্ত্রোপচারের পর আজ মঙ্গলবার শিশুটিকে সাধারণ ওয়ার্ডে দেওয়া হয়েছে। এদিকে শিশুটির চিকিৎসাসহ ওই পরিবারের পাশে দাঁড়াতে আরও অনেক ব্যক্তি আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।

মেয়ের চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও থেকে রংপুর মেডিকেলে আসতে চার্জার রিকশায় ১১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তারেক ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মানুষের নজর কাড়েন। গণমাধ্যমে খবরটি গুরুত্ব দিয়ে প্রচার পাওয়ায় বিভিন্ন ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সুপারশপ এবং রংপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিকসহ চিকিৎসাসেবার সহায়তা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

১৭ এপ্রিল জান্নাতকে নিয়ে বাবা তারেক ইসলাম নিজেই চার্জার রিকশা চালিয়ে ১১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঠাকুরগাঁও থেকে রংপুরে আসেন। এতে সময় লাগে প্রায় ৯ ঘণ্টা।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক সহকারী রেজিস্ট্রার উপেন্দ্রনাথ রায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে বলেন, গতকাল শিশুটির অস্ত্রোপচার হয়। পোস্ট অপারেটিভে থাকার পর এখন তাকে সাধারণ ওয়ার্ডে নেওয়া হয়েছে। শিশুটি এখন আগের থেকে অনেক ভালো আছে।

শিশুটির বাবা তারেক ইসলাম আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সাড়ে চার লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পেয়েছি। এ ছাড়া রংপুর নগরে অবস্থিত স্বপ্ন নামের সুপারশপ শিশুটির চিকিৎসার সব খরচ দিচ্ছে। আমার থাকার কোনো জায়গা না থাকায় মানুষের সহায়তার টাকা দিয়ে একখণ্ড জমি কিনব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন