চিকিৎসক হব, ছোটবেলায় এমন কোনো স্বপ্ন ছিল না। নবম শ্রেণিতে ওঠার পর আমার পারিবারিক অবস্থা ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ দেখে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী আলী হোসেন বিনা পয়সায় আমাকে ইংরেজি পড়াতে শুরু করেন। তিনিই আমাকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখান। বাবা-মায়ের ত্যাগের কথা বলে শেষ করা যাবে না। অভাবের সংসার হলেও তাঁরা আমাকে কখনো হতাশ হতে দেননি। তাঁদের উৎসাহ আর আমার পরিশ্রম সার্থক হলো যখন শুনলাম মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। ভালো চিকিৎসক হয়ে মানুষের জন্য, এলাকার জন্য ও দেশের জন্য কিছু করতে চাই।

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম মধুপুরে আমার বাড়ি। মেডিকেলে চান্স পাওয়ার খোঁজ পেয়ে দৈনিক প্রথম আলো আমাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। সেই সংবাদ দেখে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে আমার পড়াশোনার জন্য সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। এ ছাড়া অনেকে ব্যক্তিগতভাবে আমার পাশে থাকার আশ্বাস দিচ্ছেন। প্রথম আলো ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নতুন পোশাক ও ঈদসামগ্রী পাঠিয়েছে। একটি পত্রিকা অফিস থেকে এমন উপহার পেয়ে বিস্মিত হয়েছি। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। একজন ভালো চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করে সবার ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই।

আবু সাঈদ: বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের নবীন শিক্ষার্থী

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন