বিজ্ঞাপন

বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পাথর নিয়ে ঢাকার দিকে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজটির নাম এমভি সান ভেলি-৪। জাহাজটিতে তিনটি হ্যাচে (পণ্য রাখার স্থান) ১ হাজার ৯০০ টনের কাছাকাছি পাথর রয়েছে। একটি হ্যাচে পানি ঢুকলেও পাথর নষ্ট হবে না।

এ দুর্ঘটনা এমন সময়ে ঘটেছে, যখন ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে সারা দেশে নদীপথে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ নৌযান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেয়।

অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. সেলিম প্রথম আলোকে বলেন, আটকে থাকা জাহাজটিতে ঢেউয়ের পানি ঢুকছে। তবে মূল নৌপথ থেকে সরে যাওয়ায় এটির কারণে জাহাজ চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না। এরপরও যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকে নজর রাখা হয়েছে।

জাহাজটির কর্ণধার বুলবুল আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। জাহাজটি একসময় পরিচালনা করতেন শাহাদাত হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের পর থেকে তিনি এ জাহাজ পরিচালনা করছেন না। তবে দুর্ঘটনার খবর জেনেছেন। জাহাজটিতে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন