বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাসানচর থেকে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বেড়িবাঁধ দিয়ে দালালের মাধ্যমে নৌকায় ওঠে তারা। জনপ্রতি ১৩ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাসানচর থেকে কক্সবাজারে পাঠানোর চুক্তি হয়। চার দিন ধরে সাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে রেখে আজ সীতাকুণ্ডের উত্তর সলিমপুরে নামিয়ে দিয়ে দালালেরা পালিয়ে যান। তবে তারা দালালদের পরিচয় জানাতে রাজি হয়নি।

এদিকে স্থানীয় লোকজন রোহিঙ্গাদের দেখতে বেড়িবাঁধের দিকে যেতে থাকলে বিপদ বুঝতে পেরে দুই রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়। ওই দুজনকে পরে আর ধরা সম্ভব হয়নি।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক প্রথম আলোকে বলেন, রোহিঙ্গাদের দেখে স্থানীয় লোকজন সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মুস্তাকিম আরজু ও চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আজিজকে খবর দেন। পরে চেয়ারম্যানের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। ভাসানচর থানার পুলিশের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ হয়েছে। আজ সন্ধ্যার আগেই কুমিরা ফেরিঘাট হয়ে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে ফেরত পাঠানো হবে। তবে দুই রোহিঙ্গা পালানোর বিষয়টি তিনি জানেন না বলে দাবি করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন