বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার গাবতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. সালমা আকতারের কার্যালয়ে অন্যের জমির নামজারির তদবির নিয়ে আসেন আকমাদুর রহমান। এ সময় নিজেকে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেন। তাঁর বর্তমান কর্মস্থল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক উইং বলে দাবি করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ৩৭তম বিসিএস দিয়ে ক্যাডার হয়েছেন বলেও জানান তিনি। তাঁর কথাবার্তায় অসংগতি দেখা দিলে সন্দেহ হয়। পরে উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের লোকজন তাঁকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় ভূমি কার্যালয়ের অফিস সহকারী বিজল কুমার দাস বাদী হয়ে বগুড়ার গাবতলী মডেল থানায় প্রতারণার মামলা করেন। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গাবতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা আকতার বলেন, কথাবার্তার একপর্যায়ে আকমাদুর রহমান ভড়কে যান। এতে তাঁর সন্দেহ হয়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওই নামে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নেই। পরে তাঁকে আটক পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রওনক জাহান বলেন, আকমাদুর রহমান একজন পেশাদার প্রতারক। তিনি কখনো ম্যাজিস্ট্রেট, কখনো পুলিশ, কখনো সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাসহ নানা পরিচয় দিয়ে সহজ–সরল মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিতেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন