default-image

ভুয়া জন্মসনদ ব্যবহার করে নিজের কিশোরী মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার সময় নাজমা বেগম নামের এক নারীকে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। ভ্রাম্যমাণ আদালত নাজমা বেগমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

ইউএনও বলেন, নাজমা বেগম তাঁর কিশোরী মেয়েকে (১৪) একই উপজেলার যুবক আবদুল্লাহ আল নোমানের (২৬) সঙ্গে বিয়ের দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শুক্রবার রাতে নাজমা বেগম মেয়েকে নিয়ে পাত্রের এলাকায় যান। সেখানে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার সময় মেয়ের নাম-ঠিকানা গোপন করে কাজির কাছে অন্য একজনের জন্মনিবন্ধন সনদ জমা দেন। এর মধ্যেই বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

ইউএনও মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, যাচাই করে দেখা যায় যে কাজির কাছে জমা দেওয়া জন্মনিবন্ধন সনদ ভুয়া। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বাল্যবিবাহ দেওয়ার অপরাধে কিশোরীর মা নাজমা বেগমকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর আবদুল্লাহ আল নোমানকে জরিমানা করা হয় পাঁচ হাজার টাকা। রাতেই নাজমা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0