বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রশিদ বলেন, মাহবুবুল হকের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির বয়সসীমা পার হয়ে যাওয়ায় তাঁর বাবার নামের সঙ্গে মিল থাকা এক বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদ তুলে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২০০৭ সালের ৬ জানুয়ারি চাকরিতে যোগদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি ২০১২ সালে হরিমোহন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তদন্তে সনদ জালিয়াতির সত্যতা মিলেছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে ছয় মাস আগে। এখন কর্তৃপক্ষই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদ জালিয়াতির সত্যতা পাওয়ার পরও হরিমোহন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুল হক স্কুলেও আসছেন বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রুহুল ইসলাম।

তবে মাহবুবুল হক বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।

আর মাউশির পরিচালক বেলাল হোসেন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেছেন, ওই শিক্ষকের (মাহবুবুল) বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন