বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিরা খাতুনের মা হুসনেয়ারা বেগম বলেন, দেড় বছর আগে তাঁর মেয়ে ওই এনজিওতে মাঠ সংগঠক পদে চাকুরি নেন। সবশেষ মিরা ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা শাখায় কর্মরত ছিলেন। ২০ নভেম্বর ফলদা শাখা থেকে চণ্ডীপুর ও হিন্দুপাড়ায় কিস্তি আদায় করার জন্য রওনা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

ওই দিন রাত নয়টার দিকে এসএসএস ফলদা শাখার ব্যবস্থাপক বন্যা আক্তার ভূঞাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে মিরার স্বামী রাজিব মিয়া বাদী হয়ে ১৩ ডিসেম্বর ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও মিরার কোনো সন্ধান দিতে পারেনি পুলিশ। মিরার মা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশকে সন্দেহভাজন কয়েকজনের নাম বলা হলেও পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যেদিন থেকে তাঁর মেয়ে নিখোঁজ, সেদিন থেকেই ওই এলাকার বেশ কিছু লোক গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁর মেয়েকে কেউ হত্যা করেছে নাকি গুম করেছে, সেটি খুঁজে বের করার জন্য প্রশসানের কাছে দাবি জানান হুসনেয়ারা বেগম।

হুসনেয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ের দুই সন্তান আছে। এর মধ্যে একজন চতুর্থ শ্রেণিতে, অরেকজন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। এই ছোট ছোট শিশুদের মানুষ করার জন্য আমার মেয়েকে ফিরে পাওয়া খুবই প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো আবদুল ওহাব বলেন, মামলাটি অনেক স্পর্শকাতর। তাই খুব সাবধানে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রথমে নিখোঁজের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো তথ্যই দেওয়া হয়নি। তাই পুলিশ নিজেদের মতো করে কাজ করছে। তবে ওই নারী কোনো মুঠোফোন ব্যবহার না করায় তাঁকে খুঁজে পেতে একটু বিলম্ব হচ্ছে। তবে দ্রুতই পুলিশ তাঁর খোঁজ বের করবে বলে তিনি আশা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন