বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০১৪ সালে উপজেলার খেজুরবাড়িয়া মৌজায় বড়মাছুয়া বাজারসংলগ্ন খাল ভরাট করে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা দখল করার চেষ্টা করলে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। উচ্চ আদালত ওই জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বড়মাছুয়া ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে রতন কুমার পাইক ইউনিয়ন ভূমি  উপসহকারী  কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। এরপর খালের জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতে ভূমিদস্যুদের সহযোগিতা করেন তিনি। রতন কুমার পাইকের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, গত শুক্রবার রাতে ইসমাইল আকন নামের এক ব্যক্তি খাল ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করেন। পরদিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থাপনাটি ভেঙে দেন। এ ছাড়া আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও খালের ভরাট করা জমিতে বিভিন্ন সময়ে স্থাপনা নির্মাণ করার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর  বড়মাছুয়া ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা  রতন কুমার পাইককের মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি বলেন, খালের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে সহায়তা করার অভিযোগ সঠিক নয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাখাওয়াত জামিল বলেন, ‘ওই স্থানে স্থাপনা নির্মাণ করার খবর পেয়ে আমি তা ভেঙে দিয়েছি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সেখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কতৃ৴পক্ষের নির্দেশ পেলে সেখানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। আমরা রতনের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখব।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন