চালকলে কর্মরত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেঘনার তীরে অবস্থিত খাজা অটো রাইস মিল ও রহমানিয়া অটো রাইস মিল নামের চালকল দুটির সীমানাপ্রাচীরে নদীর পানি স্পর্শ করে। উজান নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মেঘনা এখন উত্তাল। গত রোববার সকাল ৯টার দিকে নদীর পানির তোড়ে সেই প্রাচীর ধসে যায়। প্রাচীর লাগোয়া স্থানে ছিল শ্রমিকদের থাকার ঘর। ঘরগুলো আধপাকা। নিখোঁজ শরীফ যে ঘরে থাকতেন ওই ঘরে একটি রেফ্রিজারেটর ছিল। রেফ্রিজারেটরটি নেওয়ার জন্য শরীফ মোশতাকিনকে সঙ্গে নিয়ে ওই ঘরে যান। রেফ্রিজারেটরটি ধরে বাইরে আনার সময় ঘরের সঙ্গে তাঁরা নদীতে তলিয়ে যান। এরপর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে সফল হননি। গত রোববার সন্ধ্যায় উদ্ধার অভিযান বন্ধ করা হয়। সরকারিভাবে উদ্ধারকাজ বন্ধ হলেও স্থানীয়ভাবে উদ্ধারকাজ চলছিল। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধসে পড়া ঘরের দেয়ালের নিচ থেকে শরীফের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শরীফ ও নিখোঁজ মোশতাকিন রহমানিয়া অটোরাইস মিলের শ্রমিক। মিলের মালিক মো. সবুজ বলেন, শরীফের লাশ পাওয়া গেছে। তবে এখনো মোশতাকিনের সন্ধান মেলেনি। মোশতাকিনের সন্ধানে নিজস্ব উদ্যোগে তাঁরা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, মেঘনা এখন উত্তাল। প্রচুর স্রোত। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা অনেক চেষ্টা চালিয়েও নিখোঁজ ওই দুই ব্যক্তির সন্ধান করতে না পারায় উদ্ধারকাজ বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন