default-image

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় নতুন করে আরও ১৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪২৪। শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ভৈরবে প্রথম ১০০ করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫০ দিনে। পরের সাত দিনে আরও ১০০ রোগী শনাক্ত হয়। এরপর তৃতীয় শতক স্পর্শ করতে সময় লাগে তিন দিন। আর ৪০০ রোগী শনাক্ত হয় পরের তিন দিনে। ১ হাজার ৯০৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এখন উপজেলায় করোনা রোগী ৪২৪ জন। এর মধ্যে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ১১৫ জন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, কিশোরগঞ্জ ল্যাব থেকে দিনে ৯৪টি নমুনার ফল জানা সম্ভব। অথচ জেলা থেকে দিনে ৩৫০ জনের নমুনা সংগ্রহ হচ্ছে। এর মধ্যে ভৈরব থেকে যাচ্ছে ৭০ থেকে ১০০টি নমুনা। ভৈরবের চাপ সামলাতে জেলার ল্যাবের কার্যক্ষমতা বাড়ানো কিংবা ভৈরবে পৃথকভাবে ল্যাব স্থাপনের তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে সংক্রমণ ঠেকাতে ভৈরবে প্রশাসনের ঘোষিত দুই সপ্তাহের লকডাউন আজ শেষ হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লকডাউন ঘোষণা হলেও মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকি ছিল না। ফলে লকডাউনের সুফল আসেনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুবনা ফারজানা বলেন, লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর চিন্তা নেই। কারণ, এখানকার মানুষ সমস্যাটি নিজের না মনে করে প্রশাসনের মনে করে। সেই কারণে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা মাঠে গেলে কেবল লকডাউন মানে, ফিরে আসার পর আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0