বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ ও গতকাল রোববার ভৈরবের বেশ কয়েকটি স্কুল–কলেজ ও মাদ্রাসা প্রধানদের কাছে ইউএনওর অফিশিয়াল নম্বর থেকে ফোন যায়। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জানানো হয় একটি প্রকল্প থেকে ভৈরবের কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ল্যাপটপ বরাদ্দ এসেছে। এটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য। এমনকি অবসরের পরও ল্যাপটপটি প্রতিষ্ঠান প্রধানদের থেকে যাবে। সবাইকে দেওয়া হচ্ছে না। প্রথমে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাছাই করা হয়েছে, তবে আপনি মনোনীত হয়েছেন। ল্যাপটপ নিতে চাইলে দাপ্তরিক খরচ বাবদ ৯ হাজার টাকা লাগবে। টাকার জন্য বারবার তাগাদা দিলে কয়েকজনের সন্দেহ হয়। ইউএনওর নম্বর থেকে ফোন এলেও মানুষটি ইউএনও নন পরে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। জানতে পেরে ইউএনও প্রতিকারে উদ্যোগী হন।

প্রতারক চক্রের ফোন পেয়েছেন রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বর্তমান ইউএনও সদ্য যোগ দিয়েছেন। ফলে তাঁর কণ্ঠ অনেকের কাছে অপরিচিত। অফিশিয়াল নম্বর থেকে ফোন আসায় প্রথমে ইউএনও ভেবেই কথা বলছিলাম। পরে টাকা চাওয়ায় আর কথায় অসংগতি টের পাওয়ায় সন্দেহ লাগে।’

মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান জানান, কেউ যেন প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য সবাইকে সচেতন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন