default-image

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক বছর ধরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালায় ১২ বছরের শরীফ মিয়া। গত বৃহস্পতিবার রিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর সে আর বাসায় ফেরেনি। শনিবার দুপুরে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে উপজেলার গাজীরটেক এলাকায় বস্তাবন্দী অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শরীফের বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাঞ্চপুর গ্রামে। বাবার নাম সুন্দর আলী। জীবিকার প্রয়োজনে এক বছর আগে সে ভৈরবে আসে। ভৈরবে এসে অটোরিকশা চালাত। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালে সে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়। রাত হয়ে গেলেও না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাঁর খোঁজ নিতে থাকেন। সন্ধ্যার পর তার মুঠোফোনও বন্ধ হয়ে যায়। পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

নিহত শরীফের মামা মোবারক হোসেন এসে তার পরিচয় শনাক্ত করেন। মোবারক বলেন, শরীফের আয়ে পরিবারটি চলত। বাসায় না ফেরা আর মুঠোফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ বাড়ে।

মহাসড়কের পাশে বস্তাবন্দী লাশ পড়ে থাকার কথা শুনে ঘটনাস্থলে যান ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, লাশের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। শরীফের সঙ্গে থাকা অটোরিকশার সন্ধান পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা নিয়ে গেছে। অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই শরীফকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন