বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছোট দেশে অধিক গণমাধ্যম থাকার পরিসংখ্যান তুলে ধরে সাইফুল আলম বলেন, এই দেশে গণমাধ্যমের সংখ্যা বাড়ছে। কতসংখ্যক মানুষ সাংবাদিকতায় যুক্ত রয়েছেন, এর সঠিক পরিসংখ্যান জানা নেই। তবে সর্বোচ্চ ৪০০ এর বেশি সাংবাদিক আর্থিকভাবে ভালো নেই। মফস্বলে এই চিত্র আরও রুগ্‌ণ।

শত প্রতিকূলতার মধ্যেও ভালো সাংবাদিকতা করার আহ্বান জানিয়ে সাইফুল আলম বলেন, লক্ষ্য যদি সুনির্দিষ্ট হয় আর চিন্তায় যদি সাংবাদিকতা থাকে, তবে নিজেকে ভালো সাংবাদিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়। মনে রাখতে হবে, একজন ভালো সাংবাদিক কখনো সংবাদের সঙ্গে আপস করতে পারেন না। যাঁরা আপস করেন, তাঁরা সম্মান শ্রদ্ধা পান না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুবনা ফারজানা, লেখক ও লোকজ গবেষক আব্দুল লতিফ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এস এম বাকী বিল্লাহ। আরও বক্তব্য দেন যুগান্তরের কিশোরগঞ্জ ব্যুরো প্রধান এ টি এম নিজাম, প্রথম আলো ভৈরব কার্যালয়ের নিজস্ব প্রতিবেদক সুমন মোল্লা, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি সাইফুদ্দিন লেলিন, বিএডিসির সহকারী পরিচালক (সার) শিপন চন্দ্র প্রমুখ।

লেখক আসাদুজ্জামান ফারুক বর্তমানে যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনের ভৈরব প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। লেখকের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ সাংবাদিকতায় আমার ৩০ বছর চলছে। কাজ করতে গিয়ে অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার অজানা কথা গ্রন্থে অভিজ্ঞতার কিছু দিক তুলে আনা হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন