default-image

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে ভোগাই নদের বাঁধ ঘেঁষে সতমল ভূমি খুঁড়ে বালু তোলা বন্ধে আজ বুধবার দুপুরে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বালু তোলার কাজে ব্যবহৃত দুটি শ্যালো মেশিন ধ্বংস করা হয় এবং এক বালু ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকায় ভোগাই নদের মণ্ডলিয়াপাড়া, কেরেঙ্গাপাড়া, ফুলপুর ও আন্দারুপাড়া ৪টি মৌজায় ১২ একর নদের বালুমহালের ইজারা দেওয়া হয় ইলিয়াস এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে। গত পয়লা বৈশাখ থেকে এক বছরের জন্য নদটি ইজারায় আছে। তবে ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে নয়াবিল এলাকায় মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে এক মাস ধরে নদের তীরবর্তী সমতলের পরিত্যক্ত ভিটেমাটি, আবাদি ও অনাবাদী জমি খুঁড়ে তিন–চারটি শ্যালো মেশিন দিয়ে বালু তুলতে থাকেন। ফলে নদের স্বাভাবিক গতিপথ বদলে যাচ্ছে। পাহাড়ি ঢলে যেকোনো সময় নদের বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম। তিনি বলেন, নয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো.ইউনুস আলী দেওয়ানসহ আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্য নিয়ে নয়াবিল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভোগাই নদে দুটি শ্যালো মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত বালু ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মোজাম্মেল হক মুক্তি পান।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন